Wed. Oct 23rd, 2019

ভিটামিন ই ক্যাপসুলের চমকপ্রদ যে স্বাস্থ্য উপকারিতা

শরীরে ভিটামিনের ঘাটতি পূরণে সহায়ক ভিটামিন ই ক্যাপসুল। ভিটামিন ই ক্যাপসুল, ছোটছোট সবুজ রঙের স্বচ্ছ ক্যাপসুল যা সব ফার্মেসিতে পাওয়া যায়। এর পাশাপাশি এই ক্যাপসুলের রয়েছে অজানা আরো অনেক ব্যবহার। যার মাধ্যমে আপনি পেতে পারেন সুন্দর ত্বক ও চুল। চুল ও ত্বকের জন্য ভিটামিন ই কার্যকর ভূমিকা রাখে বলতেই হবে।

ভিটামিন ই ক্যাপসুলের ব্যবহার:
— চুল বাড়াতে সাহায্য করে ভিটামিন ই। অলিভ অয়েলে ভিটামিন ই মিশিয়ে তা মাথায় আধ ঘণ্টা মাসাজ করুন। নারকেল তেলের সঙ্গেও মিশিয়ে মাথায় মাখতে পারেন।

— আপনার কনুই আর হাঁটুতে যদি এমন দাগ থাকে তবে রেগুলার ১ টা ক্যাপসুলের তেল নিয়ে বা মুখে ব্যবহার করার পর অতিরিক্ত যে তেলটুকু বাকি থাকে তা কনুই আর হাঁটুতে লাগান। ২-৩ সপ্তাহের ব্যবহারে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখতে পাবেন! ক্যাপসুলের ভিতরের তেল মুখে দাগ থাকলে সেখানে লাগান। তার পরে গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত করুন।

— মুখে, হাতে পায়ে লাগিয়ে যেটুকু তেল থাকবে সেই তেলের ফোঁটাটা ঠোঁটে ভালো ভাবে লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়ুন। কালো , ফাটা ঠোঁটের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাবেন। রোজ রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে ক্যাপসুলের ভিতরের তেল লাগান। বলিরেখা কমবে।

— ময়েশ্চারাইজার হিসেবেও কাজ করে ভিটামিন ই ক্যাপসুল। মধু আর লেবুর রসের সঙ্গে ভিটামিন ই মিশিয়ে হাত-পা শুকনো হয়ে গেলে লাগান।

— কোষ পুণর্গঠন প্রক্রিয়ার জন্য ভিটামিন-ই উপকারী হওয়ায় এটি ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে সক্ষম। স্ট্রেচ মার্কস থাকলেও লেবুর রসের সঙ্গে ভিটামিন ই লাগান নিয়মিত।

— ঠোঁট ফাটলেও ঘুমাতে যাওয়ার আগে ভিটামিন ই লাগান। মধুর সঙ্গেও ভিটামিন ই লাগাতে পারেন।

— আপনার ত্বকে যদি অনেক পুরনো কাটা দাগ, ব্রনের দাগ বা পক্সের দাগ থাকে তবে রেগুলার সেই দাগে এক-দুই ফোঁটা করে ভিটামিন ই তেল লাগিয়ে রাখুন। ধীরে ধীরে একটু হলেও দাগটা হালকা হবে। এধরনের দাগ হালকা করতে ভিটামিন ই তেল খুবই কার্যকরী। গরম পানির মধ্যে ভিটামিন ই লাগান। তার পরে সেই জলে নখ ডুবিয়ে রাখুন।

— চুলের ডগা ফাটলে, নিয়মিত নারকেল তেল বা অলিভ অয়েলের সঙ্গে ভিটামিন ই মিশিয়ে লাগিয়ে নিন। চুলের সুস্বাস্থ্যের জন্য ভিটামিন-ই একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। চুপ পড়া, অল্প বয়সে চুল সাদা বা ধুসর হওয়া থেকে বাঁচতে চাই ভিটামিন-ই।

এক গবেষণায় দেখা গেছে, ভিটামিন-ই গ্রহণে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়। প্রেসক্রিপশন ছাড়া ভিটামিন ক্যাপসুল খাওয়ার অভ্যাস খুব অল্প সময়ে প্রেশারের জটিলতা, অতিরিক্ত ওজন, হরমোনাল ইম্ব্যালান্স সহ আরও অনেক জটিল সমস্যা তৈরি করে। সুত্র : ইন্টারনেট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *